শুধু পরিচ্ছন্নতা দিয়ে যেসব রোগ প্রতিরোধ করা যায়

শুধু পরিচ্ছন্নতা দিয়ে যেসব রোগ প্রতিরোধ করা যায়

২৩ আগস্ট ২০১৭ (গ্লোবটুডেবিডি): সুস্থতার প্রধান এবং প্রথম শর্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। এর মাধ্যমে অনেক রোগজীবাণুর হাত থেকে রেহাই পেতে পারি, পারি সুস্থ থাকতে। সুস্থ জীবনের বাসনা কার না আছে? সুস্থভাবে বেঁঁচে থাকতে চাইলে দরকার বিভিন্ন রকম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অবলম্বন করা।

খুব অল্প সময়ে পরিষ্কার হতে চাইলে দরকার গোসল। গোসলের মাধ্যমে ত্বক থেকে অনেক রোগজীবাণু, ধুলা ও ময়লা পরিষ্কার করা সম্ভব।

পরিষ্কার কাপড় পরার মাধ্যমেও ত্বককে ক্ষতিকর জীবাণু থেকে রক্ষা করা যায়। ডায়রিয়ার মতো সাধারণ অথচ মারাত্মক রোগ প্রতিরোধ করতে পারা যায় শুধু পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে।

একইভাবে প্রতিরোধ করা যায় কৃমি সমস্যা, যা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সমস্যার অন্যতম কারণ। এসব সমস্যা প্রতিরোধের মূল কথাই হলো- পরিষ্কার বিশুদ্ধ পানি পান করা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পাত্রে পানি ঢেকে রাখা। খাবার পানি বিশুদ্ধ না হলে তা ফুটিয়ে নিতে হবে। রান্নার কাজে বা বাসনপত্র ধোয়ার কাজে নলকূপের পানি ব্যবহার করা যায়।

স্যানিটারি ল্যাট্রিন ব্যবহার করতে হবে এবং পায়খানা করার পর অবশ্যই হাত সাবান বা ছাই বা মাটি দিয়ে ধুতে হবে।

শিশুর খাবার প্রস্তুত করার আগে এবং খাওয়ানোর আগে অবশ্যই হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। শিশুকে টাটকা খাবার খাওয়াতে হবে এবং প্রয়োজনে খাবার ঢেকে রাখতে হবে। শিশুর ফিডার, পানির গ্লাস, থালা ও চামচসহ সবই বিশুদ্ধ পানিতে ফুটিয়ে বা ফুটানো পানিতে ধুয়ে নিতে হবে।

ফল খাওয়ার আগে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে তারপর খোসা ছাড়িয়ে খেতে হেবে। বাসি-পচা খাবার না খাওয়া এবং বাইরের খোলা খাবার পরিহার করতে হবে। বাড়ির ময়লা, আবর্জনা, ছোট শিশুর মল ইত্যাদি পরিষ্কার করে মাটিতে পুঁতে রাখতে হবে।

এমনিতেই শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কম। সুতরাং সব সময় পরিচ্ছন্ন থাকা এবং নিজের পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে আমরা অনেক রোগ প্রতিরোধ করতে পারি, বিশেষ করে পানিবাহিত রোগগুলো।

Share Button
Previous নজরুলের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে অালোচনা কাল
Next নেইমারের বিরুদ্ধে বার্সার আইনি ব্যবস্থা

You might also like

০ Comments

No Comments Yet!

You can be first to comment this post!

Leave a Reply