রাম রহিমের ডেরা থেকে মহিলা হোস্টেল পর্যন্ত গোপন সুড়ঙ্গ!

রাম রহিমের ডেরা থেকে মহিলা হোস্টেল পর্যন্ত গোপন সুড়ঙ্গ!

১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ (গ্লোবটুডেবিডি): ভারতের কথিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিমের ব্যক্তিগত আবাস থেকে একটি সুড়ঙ্গের সন্ধান পাওয়া গেছে। ডেরা থেকে সুড়ঙ্গটি চলে গেছে সোজা সাধ্বী নিবাসের দিকে। বাইরে থেকে বোঝার কোনো উপায় নেই। এই গোপন পথের সন্ধান মিলল সিরসার ডেরায়। এটা ছাড়াও আরো একটা সুড়ঙ্গের হদিশ পেয়েছে গতকাল থেকে তল্লশি চালানো টিম।

হরিয়ানা সরকারের মুখপাত্র সতীশ মিশ্র জানিয়েছেন, “আমরা জানলার মতো চৌকোনা একটা সুরঙ্গপথ পেয়েছি যেটা ডেরা আবাস থেকে সাধ্বী নিবাস পর্যন্ত গিয়েছে।” দ্বিতীয় সুড়ঙ্গটা ডেরার ভিতর থেকে শুরু হয়ে পাঁচ কিলোমিটার বাইরে গিয়ে শেষ হয়েছে। এটা পুরোটাই মাটির। সম্ভবত দরকারে পালানোর পথ হিসেবেই এটা তৈরি রাখা হয়েছিল, মনে করছে পুলিশ।

শনিবার ছিল সিরসার ডেরা সচ্চা সৌদার সদর দফতরে পুলিশি তল্লাশির দ্বিতীয় দিন। এ দিনের তল্লাশিতে আস্ত একটি বিস্ফোরক কারখানার খোঁজ মিলেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে ৮০ কার্টুনের বেশি বিস্ফোরক। তল্লাশি অভিযান শুরুর ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই খোঁজ মেলে কারখানাটির।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এখানে বহু দিন ধরে তৈরি করা হত বিস্ফোরক। কারখানাটি সিল করে দেয়া হয়েছে। তদন্তের কাজে লাগানো হয়েছে রুরকি থেকে আসা ফরেন্সিক দলকে। বিস্ফোরকের প্রকৃতি এবং তা কতটা শক্তিশালী সে সব পরীক্ষা করা দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, কারখানায় তৈরি বিস্ফোরক বাইরে বিক্রি করা হত কি না, সে বিষয়টিরও তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জোড়া ধর্ষণ কাণ্ডে ‘রকস্টার বাবা’ গুরমিত রাম রহিম সিংহ জেলে যাওয়ার পর থেকেই সিরসায় ডেরার সদর দফতরে হানা দেয়া হবে বলে জানিয়েছিল পুলিশ। পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের নির্দেশে ৭০০ একরের ডেরা চত্বরে তল্লাশি গতকাল থেকেই শুরু হয়েছে। তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ এবং সরকারি নানা বিভাগের ১০টি দল। রয়েছে ৪১ কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনী, ফরেন্সিক দলও। পুরো বিষয়টি ভিডিও করে রাখতে লাগানো হয়েছে ৬০টিরও বেশি ক্যামেরা।

প্রথম দিনের তল্লাশিতে মিলেছিল ১ টাকার নীল, ১০ টাকার কমলা রঙের প্লাস্টিকের কয়েন। মিলেছে ১২০০টা নতুন নোট। বাতিল পাঁচশো-হাজারের ৭০০০টা নোট। পাওয়া গেছে ১৫০০ জোড়া জুতো, তিন হাজারেরও বেশি ডিজাইনার জামাকাপড়!

বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে অজস্র ল্যাপটপ, হার্ড ড্রাইভ। ডেরার সদর দফতরে বহু লাশ পোঁতা রয়েছে বলেও খবর মিলেছে। সে জন্য ইতিমধ্যেই জেসিবি মেশিন এনে মাটি খোঁড়া শুরু করেছে পুলিশ।

নিরাপত্তার খাতিরে এ দিনও তল্লাশির সময়ে জেলায় মোতায়েন রয়েছেন পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ। গতকালের মতো এ দিনও ডেরা সদর দফতরের বাইরে রয়েছে ডগ স্কোয়াড। রয়েছে বম্ব স্কোয়াড, দমকল, অ্যাম্বুল্যান্সও।

রাম রহিমের আশ্রমের ভেতরে যা আছে
প্রায় এক হাজার একর জুড়ে আশ্রম কমপ্লেক্সটি তৈরি করা হয়েছে।

এখানে একটি হাসপাতাল রয়েছে, যেখানে স্থানীয় লোকজন বিনামূল্যে চিকিৎসা পান। রয়েছে একটি রিসোর্ট, একটি হোটেল, বিশাল একটি অডিটোরিয়াম, যেখানে অনুসারীদের জন্য গানবাজনা, সেমিনারসহ নানা অনুষ্ঠান করেন রাম রহিম সিং।

ভেতরেই রয়েছে খাবারদাবারের আয়োজন। এখনো এখানে ৪০ হাজার ভক্ত-অনুসারী অবস্থান নিয়ে রয়েছে। তাদের সব আয়োজনও ভেতরেই হচ্ছে।

একটু দূরেই রয়েছে ধ্যান কক্ষ। আর তার পাশে অনেকটা রাজকীয় একটি ভবন, যেখানে গুরু বসবাস করেন।

একজন কর্মকর্তা বলছিলেন, এটা হচ্ছে শহরের মধ্যে আরেকটি শহর। এখানে একটার পর একটা নিরাপত্তা বেষ্টনী আছে। সংবাদদাতা শুধুমাত্র তার একটি নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভেতরেই ঢুকতে পেরেছেন।

ভেতরে একটি সিনেমা হল, খেলার মাঠ আর স্কুলও আছে বলে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।

কে এই রাম রহিম?

আদালতে ধর্ষণের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া বিতর্কিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিমের হরিয়ানা-পাঞ্জাবে কমপক্ষে পাঁচ লক্ষ ভক্ত আছে। তাদের দাবি, সারা বিশ্বে গুরু রাম রহিমের ছয় কোটি ভক্ত আছে।

তবে বিতর্ক সব সময় রাস রহিম সিংকে তাড়িয়ে বেরিয়েছে বা তিনি নিজেই বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন।

তিনি ডেরা সাচ্চা সৌদা নামের একটি সম্প্রদায়ের নেতা – হরিয়ানার সিরসায় তার প্রকাণ্ড হাই-টেক আশ্রম।

তাকে সবসময়ে ঘিরে থাকে সশস্ত্র ব্যক্তিগত রক্ষীর দল।

শিখ, হিন্দু, মুসলিম সব ধর্মের চেতনার মিশেলেই তৈরি হয়েছে তার ধর্মীয় সম্প্রদায়।

ডেরা সাচ্চা সৌদার প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ১৯৪৮ সালে। শাহ মস্তানা নামের এক ধর্মগুরু এর পত্তন করেন।

বর্তমান প্রধান গুরমিত সিং ১৯৯০ সালে সম্প্রদায়ের নেতৃত্বের ভার নেন।

তিনি একাধারে ধর্মপ্রচারক, সমাজ সংস্কারক, গায়ক, সিনেমার নায়ক ও পরিচালক।

অনেকগুলো চলচ্চিত্র তিনি তৈরি করিয়েছেন, আর সেই সব ছবিতে নিজেই নানা রকম স্টান্ট দেখান তিনি। যেগুলো হরিয়ানা, পাঞ্জাব সহ উত্তরপ্রদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের যুবক, নারীদের মধ্যে খুবই জনপ্রিয়।

বছর কয়েক আগে দেওয়া একটি সাক্ষাতকারে তিনি বলেছিলেন, “যুব সমাজ যদি ধর্মীয় আলোচনা সভাগুলোতে আসতে না চায়, তারা সেই সময়ে লুকিয়ে হয়তো সিনেমা দেখতে চলে যায়। তাই আমি সিনেমা হলেই তাদের কাছে পৌঁছিয়ে গেছি।”

হরিয়ানার সিরসায় তার ডেরা সাচ্চা সৌদা আশ্রমের প্রাঙ্গণে নিয়মিত বসে পপ কনসার্ট। সেখানে গান ডেরার প্রধান, গুরমিত রাম রহিম সিং নিজেই – তার তুমুল জনপ্রিয় ‘ইউ আর মাই লাভ চার্জারে’র মতো আরও অনেক গান!

চাক-চিক্যময় পোশাক-আষাক পরে গানের ভিডিওতে পারফর্ম করার জন্য তাকে অনেকে ‘রকস্টার বাবা’ নামে অভিহিত করেছেন।

তিনি তিনটি সিনেমা তৈরি করেছেন যেগুলো অনেক বিতর্কের পর কয়েকটি ভারতীয় ভাষায় মুক্তি পায়।

এই সিনেমাগুলির একটি, এমএসজি: মেসেঞ্জার অফ গড’ – এর ট্রেইলারে মিঃ সিংকে দেখা যায় বিভিন্ন স্টান্ট পারফর্ম করতে, অন্য গ্রহের বাসিন্দা, ভুত এবং হাতীর সাথে লড়াই করতে এবং খলনায়কদের শায়েস্তা করেতে।

‘তার সদম্ভে চলা-ফেরাটা নিঃসন্দেহে বলিউডী, যেটা তাকে ‘সব হিরোর বাপ’ বলে চালাতে যথেষ্ট,’ দ্য হিন্দুস্তান টাইমস-এর এক পর্যালোচনায় বলা হয়।

‘এমএসজি: মেসেঞ্জার অব গড’ সিরিজের যে সিনেমাগুলোতে বাবা রাম রহিম নিজেই নায়ক গুরুজির অভিনয় করেছেন, হাজার হাজার গাড়ির কনভয় নিয়ে সেই ছবি দেখতে এসে তাঁর ভক্তরা একাধিকবার দিল্লির কাছে গুরগাঁও অচল করে দিয়েছেন!

তার ভক্ত সমর্থকরা যে সবসময়ে শান্তিপূর্ণ জমায়েত করে তা নয়।

এর আগেও দাঙ্গা হাঙ্গামা থেকে শুরু করে তাঁদের গুরুজীকে নিয়ে প্রশ্ন তোলায় হত্যা পর্যন্ত হতে হয়েছে বেশ কয়েকজনকে – এমনটাই অভিযোগ।

একটি শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অশান্তি
১৯৯৮ সালে বেগু গ্রামের একটি শিশু ডেরার জীপে চাপা পড়ে মারা যায়। গ্রামবাসীদের সঙ্গে ডেরার বিরোধ শুরু হয়। আর সেই খবর প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের ধমক দেওয়া হয়, হুমকি দেওয়া হয়। পরে ডেরা সাচ্চা সৌদা আর সাংবাদিকদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির মিটমাট হয়।

যৌন নির্যাতনের অভিযোগ
২০০২ সালের মে মাসে ডেরা সাচ্চা সৌদার এক নারী ভক্ত গুরমিত রাম রহিমের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বেনামী চিঠি পাঠান। তার একটি প্রতিলিপি পাঠানো হয় পাঞ্জাব-হরিয়ানা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছেও পাঠান ওই নারী ভক্ত।

দুমাসের মধ্যেই ডেরা সাচ্চা সৌদার পরিচালন সমিতির এক সদস্য রণজিৎ সিং খুন হয়ে যান। পরিচালন সমিতির সদস্যরা সন্দেহ করতেন যে মিঃ সিংই তাঁর বোনকে দিয়ে ওই বেনামী চিঠি লিখিয়েছিলেন। তাঁর বোন ওই আশ্রমের এক সাধিকা ছিলেন।

ওই চিঠির ভিত্তিতেই হাইকোর্ট সিবিআই কে তদন্তের নির্দেশ দেয়।

সাংবাদিক হত্যা
২০০২ সালে সিরসা থেকে প্রকাশিত সান্ধ্য দৈনিক ‘পুরা সচ’ (সম্পূর্ণ সত্য) – এর সম্পাদক রামচন্দ্র ছত্রপতিকে তাঁর বাড়ির সামনেই গুলি করা হয়। অভিযোগের আঙ্গুল সেই ডেরার দিকেই ওঠে।

সাংবাদিকরা বিভিন্ন জায়গায় ধর্না-প্রদর্শন করতে থাকেন। একমাস পরে, দিল্লির একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় মিঃ ছত্রপতির।

আবারও পাঞ্জাব-হরিয়ানার হাইকোর্ট সাংবাদিক ছত্রপতি এবং রণজিৎ সিং হত্যার মামলা দুটি একত্র করে সি বি আইকে তদন্ত করতে নির্দেশ দেয়।

সুপ্রিম কোর্টও যখন ওই মামলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়, তারপরে গুরমিত রাম রহিমের হাজার হাজার ভক্ত-সমর্থক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছিল।

শিখ সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিরোধ
২০০৭ সালে বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায় যে গুরমিত রাম রহিম এমন পোশাক পড়ছেন, যেগুলো দশম শিখ ধর্মগুরু গোবিন্দ সিংয়ের পোশাকের মতো। শিখ সম্প্রদায়ের মানুষরা বিক্ষোভ শুরু করেন, রাম রহিমের কুশপুতুল জ্বালিয়ে দেন।

সেখানেই ডেরা সমর্থকরা ওই শিখ প্রদর্শনকারীদের ওপরে হামলা চালায়। তারপর থেকে গোটা উত্তর ভারত জুড়েই ডেরা সমর্থক আর শিখদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।

ডেরা সমর্থকের গুলি চালনা
এরকমই একটা শিখ সম্প্রদায়ের বিক্ষোভ কর্মসূচীতে গুলি চালানো হয়। ডেরা সমর্থকদের দিকে আবারও অভিযোগ ওঠে।

ওই গুলি চালনায় এক শিখ যুবক মারা গিয়েছিলেন। শিখ সম্প্রদায় গুরমিত রাম রহিমের গ্রেপ্তারীর দাবীতে আন্দোলন শুরু করেন। তখন থেকেই ডেরা প্রধান গুরমিত রাম রহিমের ওপরে পাঞ্জাবে প্রবেশ নিষিদ্ধ।

বিচারককে হুমকি
দুটো হত্যা আর ধর্ষণের মামলার তদন্ত করে সি বি আই যখন গুরমিত রাম রহিমকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালতে রিপোর্ট দাখিল করে, বিচারক তাঁকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেন ২০০৭ সালের ৩১ অগাস্টের মধ্যে।

ওই বিশেষ আদালতের বিচারককে হুমকি চিঠি দেওয়া হয়। তার প্রেক্ষিতে তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

প্রাক্তন ম্যানেজারের গুমখুন
২০১০ সালে ডেরার সাবেক সন্ন্যাসী রামকুমার বিষ্ণোই হাইকোর্টের কাছে অভিযোগ জানিয়ে বলেন যে আশ্রমের প্রাক্তন ম্যানেজার ফকির চাঁদকে গুমখুন করা হয়েছে। তিনি ওই ঘটনায় সি বি আই তদন্ত দাবী করেন।

ডেরা প্রধান রাম রহিমই ওই গুমখুনের আদেশ দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়।

আদালত সি বি আই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পরে ডেরা সমর্থকরা পাঞ্জাব, হরিয়ানা আর রাজস্থানে ব্যাপক হাঙ্গামা চালায়, প্রচুর সরকারী সম্পত্তি ধ্বংস করা হয়, বহু বাসে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। তবে সি বি আই ওই ঘটনায় কোনও প্রমাণ যোগাড় করতে পারে নি।

ডেরার সাধুদের নপুংসক করে দেওয়ার অভিযোগ
হংসরাজ চৌহান নামের এক ব্যক্তি ২০১২ সালে হাইকোর্টে মামলা করেন এই অভিযোগে যে ডেরা প্রধান রাম রহিমের নির্দেশে আশ্রমের ৪০০ সাধুকে নপুংসক করে দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিক ছত্রপতি হত্যায় অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিও ডেরার নপুংসক সাধু ছিলেন বলেও সেই মামলায় জানানো হয়। তারা তখন জেলে বন্দী ছিল।

তাদের জেরা করে জানা যায় যে সত্যিই ওই দুই সাধুকে নপুংসক করে দেওয়া হয়েছিল। তবে তারা এটাও বলে যে তারা স্বেচ্ছায় নপুংসক হয়েছে।

এই মামলাটি এখনও বিচারাধীন, তবে রাম রহিম সিং অভিযোগটি সরাসরি অস্বীকার করেছেন।

‘এই কথা শতভাগ মিথ্যা। আমি কাওকে এসব করতে বলিনি’, টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন।

Previous মেসির হ্যাটট্রিক, অপ্রতিরোধ্য বার্সা
Next পাকিস্তান পৌঁছেছেন তামিম

About author

You might also like

বিদেশ ০ Comments

রোহিঙ্গা নিপীড়নের দায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর : মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯ অক্টোবর ২০১৭ (গ্লোবটুডেবিডি): রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়নের জন্য মিয়ানমার সেনাবাহিনীকেই দায়ী করলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন। এ জন্য মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি। বুধবার ওয়াশিংটন সেন্টার

বিদেশ ০ Comments

ধর্ষণ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যে রুপার বিরুদ্ধে মামলা

১৬ জুলাই ২০১৭ (গ্লোবটুডেবিডি): ধর্ষণ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) আইনপ্রণেতা ও একসময়ের আলোচিত অভিনেত্রী রুপা গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। খবর এনডিটিভির। শুক্রবার

বিদেশ ০ Comments

ব্রিটিশ পার্লামেন্ট এলাকায় হামলা : নিহত ৫

২৩ মার্চ ২০১৭ (গ্লোবটুডেবিডি): ব্রিটিশ পার্লামেন্ট এলাকায় ‘সন্ত্রাসী’ হামলায় নিহতের সংখ্যা পাঁচে দাঁড়িয়েছে, আহত হয়েছে সবমিলিয়ে ৪০-এর বেশি। নিহতদের মধ্যে এক পুলিশ অফিসার এবং হামলাকারীও রয়েছে। পুলিশ বলছে, এই হামলার

০ Comments

No Comments Yet!

You can be first to comment this post!

Leave a Reply