আগুন / মোহসীন আলী

আগুন / মোহসীন আলী

আগুন / মোহসীন আলী, ঢাকা ৬ ডিসেম্বর ২০১৭ (গ্লোবটুডেবিডি)

সকালটা খুব ঝকঝকা।কোথাও আলোর কমতি নেই। নাকেমুখে কিছু একটা ঠেলে দিয়ে বের হলাম।দিনটি ছিলো ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি।

বাসা হতে বের হতেই আলোর ঝলকানি কমে গেল।একটু ঠান্ডা-ঠান্ডা লাগছে।হৃদয়ে এক চিলতে অজানা বেদনার ভর অনুভব করলাম।অফিসের উদ্দেশ্যে মেইনরোড পর্যন্ত গেলাম।এখন গাড়ীর জন্য অপেক্ষার পালা।
হঠাৎ ড্রাইভারের ফোন।
-হ্যালো স্যার !
-হ্যাঁ, জয়নাল বলো।
-স্যার-গাড়ী তো নষ্ট হয়ে গেছে।
-গাড়ী নষ্ট হয়েছে! তার মনে গাড়ী যাবে না।
-জ্বি স্যার।

সকাল নয়টা বেজে গেছে।তিনটা বাসে অ্যাটেম নিয়েও উঠতে পারলাম না।এখন উপায়?

জবরদস্তি করে একটা বাসে উঠলাম।অফিসটাইম।রাজ্যের যত মানুষের ধাক্কাধাক্কি হুড়োহুড়ি।প্রায় আধাকিলোমিটার বাসের গেটে ঝুলে রইলাম।
অনেক শক্তি প্রয়োগ করে বাসের প্রায় শেষপ্রান্ত গিয়ে রক্ষা পেলাম এবং একটা সিটও পেয়ে গেলাম।বাস চলছে।

অনেক হুড়োহুড়ির ফলে দেহে একটা ক্লান্তি এসেছে। স্মার্ট ফোনটা নিয়ে একটু গেম খেলা যাক। সময় ভালোই যাচ্ছিল।
হঠাৎ বিকটা একটা শব্দ। বাসের পিছন হতে দাউ-দাউ করে আগুন জ্বলে উঠলো। সবাই আগুন আগুন বলে চিৎকার করছে আর বাস হতে নামার চেষ্টা করছে। আমিও নামতে চেষ্টা করলাম। আগুন ততোক্ষণে আমার শরীরে-।

এর পরের কাহিনী। সন্ধ্যা।
আমি হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে। একটা অপরিচিত মুখ আমার মুখের দিকে ঝুঁকে আসছে। আমি আবছা-আবছা দেখতে পাচ্ছি। আর উঃ-আঃ জ্বলে গেলো, পুঁড়ে গেলো-বলে উঠছি।
-ভাই কিচ্ছু হয়নি আপনের। একটু ডান পায়ের কিছু অংশ পুড়ে গেছে। ও ঠিক হয়ে যাবে। ডাক্তার সাহেব ঔষধ দিয়েছেন। আর বলেছেন-দুই-তিন দিন রেস্টে থাকতে হবে। আমি শুধু বলে উঠলাম- আমার কি হয়েছে? আমার মোবাইল ফোনটিও নেই। সন্ধ্যার দিকে হাসপাতালের চার পাশে অসংখ্যা কাক কা-কা কলোরবে ব্যস্ত। আমার কাছে যে অপরিচিত তিনিই আমার এখন বেশি পরিচিত।
-ভাই আমাকে একটু ধরেন। আমার খুব বাথরুম পেয়েছে।
সে সর্বশক্তি প্রয়োগ করে আমার প্রয়োজনীয় কাজটা সারতে সাহায্য করলো।
অপরিচিত লোকটা বললো নিচে সিএনজি ঠিক করেছি, চলেন। আমি বাক্য ব্যয় না করে চললাম।
-আমি কোন দিকে যাব?
-চুপ করে বসে থাকেন।
আমি উনার কথা মতো চুপ করে বসে রইলাম। এই যে শহর অতীব বৈচিত্র্যময়।
-ভাই আমি একলা বাসায় যেতে পারবো। কোন সমস্যা হবে না।
-আমার সাথে থাকলেও আপনার কোন সমস্যা হবে না-লোকটা বললো।
ডান পায়ের নিচের দিকে খুব ব্যথা অনুভব করছি। কি পরিমাণে পুঁড়েছে তা নিজে আচ করতে পারছি না। সিএনজি যখন চলে তখন মনে হয় ব্যথা পায়ের নিচের দিকে নামে। সিএনজি যখন কোন গর্তে পড়ে, তখন ব্যথায় মূর্ছা যাবার অবস্থা।

লোকটার কাঁধে ভর দিয়ে সরু পথ বেয়ে দোলতায় উঠছি। এখন রাত সময় কত তা জানার আগ্রহ হলো। কিন্তু আমার কাছে সে উপায় নেই। আমরা দোতলায় উঠলাম। লোকটা দরজায় টোকা দিলো। চারিদিকে মোটামুটি আলো ছিলো। হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেল। দোতলাটা একদম ভুতুড়ে হয়ে গেল। আল্লাহ জানে, কার পাল্লায় পড়লাম। মধ্য বয়সি একজন নারী দরজা খুলে দিলো। কাঠের দরজার একটা পাল্লা খুললো। অন্য পাল্লাটা ফ্লোরের সাথে বেধে গেলো। দরজা খুলে দিয়ে মহিলা আবার ভিতরে চলে গেলে। ছোট একটা মেয়ে সামনের দিকে আসলো।
-কি হইছে বাবা !
-তোমার মা কোথায় ?
-মা ভিতরে, উনি কে বাবা ?
-তোমার চাচা হয়।
-চাচার কি হইছে?
-কিচ্ছু হয়নি, তুমি যাও তোমার মাকে ডাকো।
আম্মু আম্মু করতে করতে মেয়েটি ভিতরে চলে গেল।
-কি ব্যাপার কি করছো ? এই দিকে আসো। ভদ্র মহিলা দরজার কাছে এলো।
-কি হইছে ওনার ?
-তুমি এই দিকে আসো-ওনাকে ধরো।
মহিলাটি প্রথমে একটু ইতস্তত  বোধ করলো। আবার আমার হাত দুইটি জাপটে ধরলো। আমি যন্ত্রণায় কাতর প্রায়। আমাকে ধরে তাদের শোবার খাটে শোয়ানো হলো। পৃথিবীতে ভালো মানুষ মনে হয় এখনও আছে। আমি একটা অপরিচিত মানুষ; আমাকে তারা কখনো দেখেনি। আমার সম্পর্কে জানেও না; তারা কি-না আমাকে তাদের বাড়ীতে ঠাঁই দিলো। ভদ্র মহিলাটি সারারাত আমার সেবা করলো। আমার পোড়া ঘাতে ডাক্তারের মলম লগিয়ে দিলো। কে সেই মহৎ নারী! ভোর বেলা আযান হলো। আমাকে তাদের শোবার ঘরে শুতে দিয়ে তারা ছোট্ট বারান্দায় গিয়ে ঘুমালো। তাদের আতিথেয়তা আমাকে ভাবিয়ে তুললো। মহিলাটি তার স্বামিকে কোন প্রশ্ন পর্যন্ত করলো না। মনে হলো, আমি তাদের ঘনিষ্ট আত্মীয়। আমার ঘা ও যন্ত্রণা করছে না।

ভোরের দিকে বিদুৎ আসলো। আমি প্রায় সুস্থ। আমি এখন হাঁটতে পারি।

সকাল আট-টা বেজে গেলো। আমি মোটামুটি রেডি বের হবার জন্য। ভদ্র লোক শুধু আমাকে বলছেন, আর একটু বসেন। এই হলো বলে রান্না।
-ভাবি কে যে দেখছিনা।
-এইতো রান্না ঘরে। আমাদের এখনে আমরা সাত-আট পরিবার মিলে থাকি; তাই রান্না করার জন্য সিরিয়াল দিতে হয়।
খাচ্ছি। পাশে এক কাপ গরম দুধ। দুধের গরম ভাব উঠছে।

-ভাইজান আর একটু নেন। আমরা গরীব মানুষ, খাতির যত্ন অতো করতে পারলাম না।

কণ্ঠটা আমার দুই কানে প্রতিধ্বনিত হতে লাগলো। খুব পরিচিত কন্ঠ মনে হলো। উপরের দিকে তাকালাম। হ-তাই-তো!
-আপনে চামেলী ভাবি না !
-জাফর-ভাই আপনে!
তারপর অনেক ধরনের আবেগ অনুভূতির কথা হলো। কি করে আমার এমন হলো। চামেলীর স্বামী এবং আমি একই বাসে ছিলাম। আমাকে তাদের বাসায় নিয়ে গেলো-আমাকে সারিয়ে তুললো। কিন্তু এই চামেলী ভাবী তার একটি মেয়ে। হায় কপাল ! বাচ্চা হয়নি দেখে আমার এক অনাত্মীয় তাকে ছেড়ে দিলো। অর্থাৎ তালাক দিলো। সেই আত্মীয় কিন্তু এখনো নিঃসন্তান।
ঘটনাটা সাত বছর আগের। চামেলী এবং রানার দশ বছরের সংসার। একটা গাছের যদি দশ বছর হয় তাকে কি খুব সহজে মাটি থেকে উপরে ফেলে দেওয়া যায়। তাকে উপরে ফেলা এতো সহজ না। তাকে কাটতে হয়। মানবের জীবন বড়ই বিচিত্র। একই ছাদের নিচে থেকে-একই চুলার রান্নাভাত দশ বছর খেয়ে হুট করে একটা স্বাক্ষর আর সব শেষ- বড়ই আশ্চর্য।
রানা এবং চামেলী দশ দশটা বছর অতিবাহিত করেছে একটি সয্যায়। এখন আর থাকা হবে না। রানার পিতা কিছুতেই এই বউ ঘরে রাখবে না। তার একটাই ছেলে।
রানার পিতা রানার জন্য মেয়েও ঠিক করে রেখেছে। এই দশটি বছর চামেলি তার সংসারটাকে নতুন করে সাজিয়েছে। রান্না ঘরের পাশে বড় সাইজের একটা কাঁঠাল গাছ লাগিয়েছে। পাশে নতুন টিউবওয়েল করেছে পাকা করে। তিন বছর আগে বাড়ীর সামনে একটা পুকুর কাটিয়েছে। সে হাঁস-মুরগি পালে। নতুন করে গাছ লাগিয়েছে। জাংলায় তিনটি লাউ ঝুলছে। পুকুরের পাড়েই তাঁর হাঁস-মুরগির খোপ; সেখানে সে হাঁস-মুরগী পালে। প্রত্যেকদিন বিকালে সে হাঁস-মুরগী খোপে তুলে এবং সকালে ছেড়ে দেয়। হাঁস গুলা পাক পাক করে পুকুরময়। পরিপাটি করা একটা সংসার। কোন ঘাড়তি নেই। শুধু একটা সন্তান-ছেলে কিংবা মেয়ে, একটা হলেই হলো। কতো ডাক্তার, কতো কবিরাজ, ফকির-ফকরায় কোন কাজ হলো না। একটা সন্তান দিলে কি এমন ক্ষতি হতো আল্লাহ!!

দিনটি ছিলো শুক্রবার। বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা হয় হয়। চামেলী এবং রানার ছাড়াছাড়ি। সালিশ বসেছে। খুব ছোট পরিসরে। কাজী সাহেব এবং গ্রামের মাতুব্বরসহ গণ্যমান্য দুই চারজন। আমি ছিলাম-অনাকাঙ্খিত একজন নিরব দর্শক। এই সময় সবার ঘরে ফেরার পালা। সব পাখিরা ঘটা করে ঘরে ফিরছে। অথচ মানব কুলের একজন কুল ছাড়া হচ্ছে। এই সন্ধ্যায় তার নীড় ছাড়তে হচ্ছে। রানা আমার চেয়ে পাঁচ ছয় বছরের বড় হলেও বন্ধুত্ব ছিলো। আমি অনেক বার এই চামেলি ভাবির গল্প শুনেছি-রানার কাছে। তাঁর সততা পরিচ্ছন্ন, ভালবাসতো রানাকে নিভৃক ভাবে। বাক্য বলে কম কিন্তু কাজে অলসহীন। সর্বদা প্রাণবন্ত; কথায় কোন চাতুরতা নেই, আছে সারল্য, আরো আছে অফুরন্ত আত্মবিশ্বাসী। দুরন্ত  সাহস, বিপদে ঝাঁপিয়ে পরার অতৃপ্ত বাসনা; এবং আত্মত্যাগী এক মহিলা।
মাতুব্বর সাহেব চামেলিকে জিজ্ঞাসা করলো-রানা তো তোমাকে রাখতে চায় না-তুমি কি বলো?
-চাচা-ওনার মুখ হতে শুনতে চাই। উনি যদি না রাখে তাহলে অন্যকথা।

রানাকে ডাকা হলো-রানা ঘরের বারান্দায় নিচের দিকে মুখ করে বসে আছে। একটা পাটখড়ি জাতীয় কি যেন জিনিস ছিলো তার হাতে, সে জিনিসটি দিয়ে মাটিত খুড়ছে। চার-পাঁচ মিনিট সমস্ত সভা নীরব-রানার বক্তব্য শোনার জন্য। এতোক্ষণে চামেলি ডুকরে কেঁদে উঠলো। মুখখানা ঢাকা। দুরে চুলার পাশে বসে ছিল। একটা দৌড় দিয়ে রানার সামনে এসে পড়লো। আপনি বলেন-আল্লার দোহাই-আপনি বলেন…….। আমি আমার স্বামীর ভিটা ছেড়ে কোথাও যাব না। আমি এখানেই মরতে চাই। আপনি আর একটা বিয়ে করেন। আমার কোন সমস্যা নাই। শুধু আমাকে ছাড়বেন না। আমি আপনার দাসি-বান্দি হয়ে থাকতে চাই। খোদার দোহাই।
আমি এ রকম একটা অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতে পড়বো ভাবতেই পারিনি। রানাকে কৌশলে রানার বাবা সরিয়ে দিয়েছে। রানার বাবা কৌশলে নিজের হাত দিয়ে ডিভোর্স নামায় একটা স্বাক্ষর দিয়ে দিল।
এখন চামেলির স্বাক্ষরের অপেক্ষা। কাজী সাহেব বলল-যে করে হোক একটা স্বাক্ষর নিতেই হবে। সে বাড়ীর উঠানে দুই পা মেলে দিয়ে তাঁর যত যন্ত্রণা, যত গ্লানী, যত টিকে থাকার বৃথা চেষ্টা, তা করছে। কিন্তু তার দিকে খেয়াল দেবার সময় নেই সমাজপতিদের । সবাই ব্যস্ত, কী করে একটা স্বাক্ষর নেওয়া যায়। তার দশ বছরের সংসারের ইতি টানা হচ্ছে। তাঁর হৃদয়ের মূল্য, দশ বছরের সংসারের মূল্য এবং তাঁর চোখের পানি খুবই সস্তা। সবাই বিভিন্ন কৌশল রপ্ত করছে-কি করে স্বাক্ষর নেওয়া যায়।
প্রথমে তার কাছে একটা বলপেন দেওয়া হলো। এরপর রানার পিতা এগিয়ে গেল। গিয়ে বলল-মা-রে রানারে তো অনেক বুঝালাম-সে তো কিছুতেই তোমাকে রাখবে না। এই দেখো রানা স্বয়ং একটা সই দিয়েছে। এতে আমাদের করার কিছু নেই। কলমটি চামেলির হাতে ছিল-চামেলি কলমটি হাতে নিয়ে এমন ভাবে ছুঁড়ে মাড়লো-কলমটি টিউবলয়ের সাথে লেগে পুকুরের পানিতে পড়লো। পুকুরের পানি স্বচ্ছ ছিল-কলমটি সলাৎ করে পুকুরের মাঝ বরাবর চলে গেল। রানার বাবা একটা লাঠি দিয়ে কলমটি তুলতে চেষ্টা করলো, কিন্তু বারবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলো। পরে পাশের বাড়ি থেকে অন্য একটি কলম আনা হলো। এবার মাতুব্বর সাহেব কলমটি নিয়ে এগিয়ে গেল। বলল-মা আমি তোমার মুরুব্বি তুমি শুধু একটা সই করে দেও। চামেলি কলমটি হাতে নিলো এবং মাতুব্বরের মুখের দিকে চেয়ে কলমটি মুখে নিয়ে কলমের নিবটি একটা কামড় দিয়ে তুলে ফেলল এবং ছুড়ে মাঝ উঠানে ফেলে দিলো। এরপর অবশ্য আর স্বাক্ষর তাকে দিতে হয়নি। সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। তার পিতা মাতা এসে তাকে নিয়ে যায়। মাতুব্বরা কৌশলে হয়তো নিজেই সই দিয়ে দিয়েছে-নয়তো দেয় নি। আমার জানা নেই।

কালকে আমার শরীরে যে আগুন লেগেছিলো তা হয়তো একদিন শুকিয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। বিষ-ব্যথা সে তো প্রায় শেষ। কিন্তু যে আগুন চামেলির হৃদয়ে লেগেছিলো ,তা কোন দিন শুকাবার নয়। হয়তো চামেলি আজ সুখে আছে কিন্তু শত সুখের মাঝেও সে কি আগুনে জ্বলে না.?

Share Button
Previous পানির যে বোতল পরিষ্কারের প্রয়োজন নেই
Next কুষ্টিয়ায় জুয়ার আসরে অভিযান: দু’জনের জেল

You might also like

শিল্প-সাহিত্য

অমর একুশে গ্রন্থমেলা শুরু আজ

ঢাকা ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ (গ্লোবটুডেবিডি):  ভাষার মাসের শুরুর দিনে শুরু হচ্ছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০১৭। বৃহস্পতিবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী বাঙালির প্রাণের এ মেলা দ্বার খুলবে। নতুন নতুন বইয়ের পসরা

শিল্প-সাহিত্য

‘উদার আকাশ’ আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন সৈয়দ মাজহারুল পারভেজ

ঢাকা ১২ নভেম্বর ২০১৬ (গ্লোবটুডেবিডি): ভারতের পশ্চিম বাংলার ‘উদার আকাশ’ আয়োজিত ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী উৎসব-২০১৭তে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন কবি, কথাসাহিত্যিক, সাহিত্য সংগঠক, ক্রীড়ালেখক ও দু’শতাধিক বইয়ের লেখক এবং বাংলাদেশ লেখক পরিষদ’র

শিল্প-সাহিত্য

নজরুলের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে অালোচনা কাল

ঢাকা ২৩ আগস্ট ২০১৭ (গ্লোবটুডেবিডি): নজরুল-ফররুখ গবেষণা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আগামীকাল ২৪ আগস্ট, বিকেল ৫:০০টায়  জাতীয় প্রেসক্লাব, (তৃতীয় তলা), জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪১তম মৃতু্বার্ষিকী উপলক্ষ্য এক আলোচনা সভার আয়োজন

০ Comments

No Comments Yet!

You can be first to comment this post!

Leave a Reply