ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে কফি

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে কফি

২৩ ডিসেম্বর ২০১৭ (গ্লোবটুডেবিডি): আমাদের দেশে চা পানকারীর সংখ্যার তুলনায় কফি পানকারীর সংখ্যাটা অনেক কম। দেশের আনাচে-কানাচে চায়ের দোকান পাওয়া যায়।

আর সেখানে সব সময় দু-একজন চা পানকারী পাওয়া যায় না এমন দৃশ্য বিরল। সে তুলনায় কফির দোকান যেমন কম, তেমনি অভিজাত দোকানে ছাড়া কফিও পাওয়া যায় না। এ কারণে অনেকে কফি এড়িয়ে চলেন। কিন্তু কফি পান যে কত উপকারী তা একটু জেনে নেওয়া যাক।

হৃদেরাগের ঝুঁকি কমায় কফি

কফি সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শুধু একটা পানীয় তা কিন্তু নয়। এটা যেমন কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে তেমনি হৃদেরাগের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে।

কফি স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমিয়ে দিতে পারে

কফি পান স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটা কমিয়ে দেয়। বিশেষ করে যেসব মহিলার স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে তাদের বেলায় এটি বেশি প্রযোজ্য।

কফি টাইপ-টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়

যাঁরা অতিরিক্ত কফি পান করেন (দিনে ছয় বা তার বেশি কাপ) তাঁদের টাইপ-টু ডায়াবেটিস হওয়ার শঙ্কা কম থাকে।

কফি পারকিনসন রোগের ঝুঁকি কমায়

কফি পান ব্রেনের জন্যও ইতিবাচক। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। যাঁরা অতিরিক্ত কফি পান করে অন্যদের তুলনায় তাঁদের মস্তিষ্ক বিকৃত হওয়ার আশঙ্কা ৬৫ শতাংশ কম থাকে।

গলস্টোনের ঝুঁকি কমায়

পরিমিত কফি পান মহিলাদের গলস্টোনের ঝুঁকি কমায়। পুরুষদের জন্য যে উপকারী নয়, তা কিন্তু না। পুরুষদের গলব্ল্যাডারের ঝুঁকি কমায়।

কফি হজমশক্তি বাড়ায়

কখনো কি লক্ষ করেছেন সকালে বাথরুমে যাওয়ার আগে এক বা দুই কাপ কপি পানের পরও পেটে কোনো সমস্যা হয় না। আসলে কফি হজমেও সহায়ক।

কফি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়

নিয়মিত কফি পানে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ২৫ শতাংশ কমিয়ে দেয়। লিভার ক্যান্সারেরও ঝুঁকি কমায় কফি।

কফি চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে

কফি খেলে প্রস্রাবের পরিমাণ বেড়ে যায়। এ কারণে অনেকেই কফি এড়িয়ে চলেন। তবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একটু ভেবে দেখা উচিত। কেননা চর্বি কমানোর জন্য যখন ব্যায়াম করা তখন কফি পান উপকারী। কেননা কফি চর্বি কমাতে সহায়তা করে।

দাঁতের জন্য কফি উপকারী

প্রত্যেকে জানেন কফি পানে দাঁত বিবর্ণ হয়ে যায়। তবে এর ইতিবাচক দিকও রয়েছে, যা দাঁতকে ক্ষয় থেকে রক্ষা করে।

মাথাব্যথা প্রতিরোধ করে

কফি পান মাইগ্রেনের সমস্যায় দারুণ কার্যকরী।

Share Button
Previous ১৬১ বছরেও কুমারখালী এম এন স্কুল জাতীয়করণ হচ্ছে না !
Next ইসরাইলি সেনাকে ঘুষি মেরে বীরের মর্যাদায় ফিলিস্তিনি কিশোরী

You might also like

০ Comments

No Comments Yet!

You can be first to comment this post!

Leave a Reply