বিটিআরসিকে নিয়ন্ত্রণ নয়, সহায়তা করা : মোস্তাফা জব্বার

বিটিআরসিকে নিয়ন্ত্রণ নয়, সহায়তা করা : মোস্তাফা জব্বার

ঢাকা ৪ জানুয়ারি ২০১৮ (গ্লোবটুডেবিডি): বিটিআরসিকে নিয়ন্ত্রণের চিন্তা না করে সংস্থাটির সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনে সহায়তার মানসিকতা নিয়ে এগোতে চান নতুন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, বিটিআরসি সুনিদির্ষ্ট দায়িত্ব পালন করলেও এককভাবে সমস্ত কার্যক্রম চালাতে পারে না। তবে সেখানে নিয়ন্ত্রণের কোনো বিষয় নেই।

আজ বৃহস্পতিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, বিষয়টি হচ্ছে, জনগণের পক্ষে কাজ করছে কি না ওই জায়গাটা নিশ্চিত করা। আমি মনে করি না, বিটিআরসির হাত-পা বেঁধে তারপর মন্ত্রণালয় থেকে বলতে হবে, তুমি কাজ করো। আমি বিশ্বাস করি, কোন জায়গায় তাকে ফ্যাসিলিটেট করা দরকার তা করা হবে।… নিয়ন্ত্রণ নয়, বড় বিষয় হচ্ছে সহায়তা করা।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মধ্যে কোনো বিরোধ থাকার কারণ নেই উল্লেখ করে নতুন এই মন্ত্রী বলেন, ‘দুটি বিভাগ দুটি চোখ বা হাতের মতো’ একসাথে কাজ সমন্বিতভাবে করবে।

এ সময় ইন্টারনেটের গতি ও সাশ্রয়ী মূল্য নিশ্চিত করতে না পারলে বাংলাদেশে ‘ডিজিটালাইজড’ হবে না বলে মন্তব্য করেন টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি আরো বলেন, জনগণের অধিকার আছে তার উপযুক্ত সেবা যাতে তারা পায়। জনগণ যেন অভিযোগ করার সুযোগ পায় এবং সে বিষয়ে পুরোপুরি ব্যবস্থা যাতে নেওয়া যায় এবং যদি দুর্বলতা থাকে তাহলে তা কাটিয়ে উঠা হবে।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ৭৮ হাজার টাকার ব্যান্ডউইডথ যদি ৬০০ টাকায় নিয়ে আসতে পারি তাহলে সে সুযোগ কেন সাধারণ গ্রাহকরা পাবে না। না পাওয়ার অন্তরায় হচ্ছে- মোবাইলের জন্য কলরেট নির্ধারণ করা আছে, ডেটার জন্য নির্ধারণ করা নেই। ইন্টারনেটের জন্য এ রকম একটি সীমারেখা থাকা উচিত। আমি ব্যান্ডউইডথের প্যাকেজ নিতে চাই তাহলে কেন দিবেন না, এক এমপিবিএস প্যাকেজ নেব এ সুযোগটা থাকতে হবে।”

অনাকাঙ্খিত এসএমএস ভোগান্তি লাঘবে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না? সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “এ ভোগান্তি থেকে পরিত্রাণের পথ খুঁজে বের করা উচিত। ১৪ কোটি সংযোগ ব্যবহারকারীর অধিকার অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই, কারণ এটি জনগণের সরকার। যত অভিযোগ আছে আপনারা সবগুলো জানান এবং মীমাংসা করে দিতে পারি সেটাও আমি করব।

এ ছাড়াও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগে কোন কাজগুলোতে গুরুত্ব দেওয়া হবে, সে ব্যাপারে তিনি বলেন, “আমাকে ৫ থেকে ৭ দিন শিখতে হবে। প্রকল্পগুলো যেসব আছে সেখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু পিকআপ করে নেব।”

এ সময় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী নতুন এই মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।

Share Button
Previous নিউজিল্যান্ডে আবারও হারল যুবারা
Next প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে শিক্ষকদের অনশন স্থগিত

You might also like

০ Comments

No Comments Yet!

You can be first to comment this post!

Leave a Reply