নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করা হবে : মওদুদ

নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করা হবে : মওদুদ

ঢাকা ১২ জানুয়ারি ২০১৮ (গ্লোবটুডেবিডি): দেশ মিথ্যাচারে ভরে গেছে মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, একদিন না একদিন এই মিথ্যাচারের মূল্য বর্তমান সরকারকে দিতে হবে। সেইসাথে জন-বিস্ফোরণের মাধ্যমেই নির্বাচনকালীন সরকারের দাবি আদায় করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করা হবে।

শুক্রবার এক সভায় সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা একদলীয় শাসন দেশে দেখতে চাই না। আমরা গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে চাই, জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে চাই, আমরা আমাদের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে চাই। সেটা আনার জন্য এই আন্দোলন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে। নির্বাচন যদি অবাধ ও সুষ্ঠু হয় তাহলে আপনারা এখনই জানেন- তার ফলাফল কী হবে? সেই ভয়ে তারা নির্বাচন দিতে চায় না। একটি মাত্র কারণে তারা জানে তারা বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হবে জনগণের আদালতে।

আজ শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স হলে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠনের (জিসাস) উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ‘নতুন তারা’ শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা উপলক্ষে এই আলোচনা সভা হয়।

অর্ধ শতাধিক শিশু-কিশোর অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

সংগঠনের সভাপতি আবুল হাশেম রানার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক দীপেন দেওয়ান প্রমুখ বক্তৃতা দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, এ সরকার বিরোধী দলের সাথে শান্তিপূর্ণ সমঝোতায় বিশ্বাস করে না। এজন্য আন্দোলন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। তাদের বাধ্য করতে হবে দেশে একটি নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠান করার জন্য। এজন্য আমাদের নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং আন্দোলনের প্রস্তুতি পাশাপাশি থাকবে, একসাথে চলবে। জনবিস্ফোরণের মাধ্যমেই আমাদের দাবি পূরণ হবে বলে আমি মনে করি।

সরকারের একদলীয় মনোভাবের চিত্র তুলে ধরে সাবেক প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ বলেন, বিরোধী দলকে কিভাবে নিশ্চিহ্ন করতে হবে সই কাজে সরকার বেশি নিয়োজিত আছেন। তাদের পুলিশ, তাদের র‌্যাবের ট্রেনিং হলো কী করে বিরোধী দলকে ঘায়েল করা, নিশ্চিহ্ন করা হয়।

দেশ আজ মিথ্যাচারে ভরে গেছে মন্তব্য করে মওদুদ আহমদ বলেন, এটা দুঃখের সাথে বলতে হয় এখন চলছে মিথ্যাচারের রাজনীতি। নীতি বহির্ভুত অনৈতিকতার রাজনীতি। কে কত বেশি মিথ্যা কথা বলবে তার প্রতিযোগিতা চলছে। কোন মন্ত্রী কোন মন্ত্রীর চেয়ে বেশি মিথ্যা কথা বলতে পারবে- তার প্রতিযোগিতা চলছে এখন। এই মিথ্যাচার আমাদের প্রজন্মকে বলছি, শিখাচ্ছি। এর চেয়ে বড় অপবাদ এ সরকারের ওপরে আর কিছুই আসতে পারে না। একদিন না একদিন এ মিথ্যাচারের মূল্য তাদেরকে দিতে হবে।

Share Button
Previous মেসি-সুয়ারেজের গোলে বিধ্বস্ত সেল্টা
Next সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে : জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী

You might also like

০ Comments

No Comments Yet!

You can be first to comment this post!

Leave a Reply