চাঁদপুরে হত্যার দায়ে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

চাঁদপুরে হত্যার দায়ে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

চাঁদপুর ২৮ মার্চ ২০১৮ (গ্লোবটুডেবিডি):

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে কসমেটিক্স দোকানের কর্মচারী মাসুদ রানা হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার বেলা ১২টায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মামুনুর রশিদ এ রায় দেন। মাসুদ রানা মতলব উত্তর উপজেলার দক্ষিণ ফতেপুর এলাকার আব্দুল মান্নান বেপারীর ছেলে।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার দক্ষিণ ফতেহপুর এলাকার সফিকুল ইসলামের ছেলে সাইফুল ইসলাম সুজন (২৩) মোশারফ সরদারের ছেলে শরীফ সরদার ( ১৯) এবং শাহজাহান শিকদারের ছেলে সুফিয়ান আহমেদ শিবির (২২)।

মামলার এজাহারে জানা যায়, মাসুদ রানা ফতেহপুর গ্রামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোড়ে কসমেটিক্স ও ফোন ফ্রাক্সের দোকানে কাজ করতো। আসামিরা মাসুদ রানার দোকানে গিয়ে আসামি শরীফ হোসেন একটি স্বর্ণের চেইন রেখে দুই হাজার টাকা চায়। চেইনটি স্বর্ণের কিনা পরীক্ষা করা শেষে পাঁচশ টাকা দেয়া হবে বলে নগদে ১ হাজার ৫০০ টাকা দেয়। পরে চেইনটি স্বর্ণের না হওয়ায় আসামি শরীফের কাছ থেকে টাকা ফেরত চায় মাসুদ। টাকার জন্য অনেক দিন ঘুরেও মাসুদ টাকা ফেরত পায় না। ২০০৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে শরীফ দোকানে এসে টাকা ফেরত দেবে বলে জানায়। এবং রাতে দেখা করতে বলে। রাতে দোকান বন্ধ করে মাসুদ রানা আর বাড়ি ফিরেনি। পরদিন সকালে দক্ষিণ ফতেহপুর গ্রামে আরশাদ বেপারীর বাড়ির পুকুড়ে পশ্চিম পাড়ের ঢালুতে ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ দেখতে পায় লোকজন। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ২০০৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি মাসুদ রানার বড় ভাই ফারুক বেপারী মতলব উত্তর থানার হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর ১৭/২০০৯। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মতলব উত্তর থানার এসআই খন্দকার ইব্রাহীম ২০০৯ সালের ৩০ মে চার্জশিট দাখিল করেন। তারপর দীর্ঘ শুনানি এবং ২১ জনের স্বাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বিচারক তিনজনেক মৃত্যুদণ্ড আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট সাইয়েদুল ইসলাম, এপিপি অ্যাডভোকেট দেবাশীষ কর মধু। আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট ইকবাল বিন বাশার, অ্যাডভোকেট সেলিম আকবর।

Please follow and like us:
Previous সেই প্রিয়া এবার রণবীরের নায়িকা
Next ইলেকট্রিক বাইক পথচলার সঙ্গী

You might also like

০ Comments

No Comments Yet!

You can be first to comment this post!

Leave a Reply