শুরু হল রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান

শুরু হল রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান

সিরাজগঞ্জ ১৭ এপ্রিল ২০১৮ (গ্লোবটুডেবিডি): সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের পাঠদান আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় শাহজাদপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের নবনির্মিত ৪ তলা ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী ক্যাম্পাসে এর উদ্বোধন করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের উপাচার্য ড. প্রফেসর বিশ্বজিৎ ঘোষ।

ক্যাম্পাসে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির তিনটি অনুষদের পাঠদান কার্যক্রমের উদ্বোধন হয়।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার সোরহাব হোসেন এ ব্যাপারে বলেন, অনেকটা অনাড়ম্বর ও ঘরোয়াভাবেই আজ সকালে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান শুরু করা হল। তবে একটা সময় নির্ধারণ করে সাড়ম্বরে এর অরিয়েন্টেশন করা হবে। সেখানে অনেক অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের তিনটি বিষয়ে মোট ১১৪ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে। ক্লাস শুরুর জন্য ইতিমধ্যেই তিনটি বিষয়ে তিনজন করে মোট ৯ জন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

রবীন্দ্র বিশ্ববদ্যালয়ের অনুষদগুলো হল- রবীন্দ্র অধ্যয়ন বিভাগ, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগ এবং অর্থনীতি বিভাগ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সোরহাব হোসেন, প্রফেসর নূরুল ইসলাম, প্রফেসর এএম আব্দুল আজিজ, শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেহেলী লায়লা, উপজেলা চেয়ারম্যান প্রফেসর আজাদ রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমেদ, মিল্কভিটার ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ লাভলু, শাহজাদপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ রুহুল আমিন, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ডা. ইউনুস আলী খান, শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শফিকুজ্জামান শফি প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরবাসীর দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল হিসেবে ২০১৫ সালের ৮ মে রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দেশের ৩৫তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ২০১৬ সালের ২৬ জুলাই রবীন্দ্র বিশ্ববদ্যালয়, বাংলাদেশ বিলটি জাতীয় সংসদে পাস হয়।

শাহজাদপুর উপজেলার বুড়ি পোতাজিয়া মৌজায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জমিদারির রেখে যাওয়া ১০০ একর খাসজমির ওপর এ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের স্থান নির্ধারণ করা হয়।

২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি ও পাঠদান কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন হল। ফলে শাহজাদপুরবাসীর মধ্যে এ উপলক্ষে বইছে আনন্দের বন্যা। অনেক স্থানে মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিল করা হয়েছে।

Share Button
Previous দাঁত শির-শির করা
Next দুই সিটিতে নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে সেনা চায় বিএনপি

You might also like

০ Comments

No Comments Yet!

You can be first to comment this post!

Leave a Reply