পাবলিকের কাজে আসছে না কুমারখালীর পাবলিক টয়লেট

পাবলিকের কাজে আসছে না কুমারখালীর পাবলিক টয়লেট

কাজী সাইফুল, কুষ্টিয়া ২৮ এপ্রিল ২০১৮ (গ্লোবটুডেবিডি): কুমারখালী বাসস্ট্যান্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যায়ে নির্মিত পাবলিক টয়লেট জনগণের কোন কাজে আসছেনা। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে ২০১৭ সালের মাঝামাঝি পুরুষ ও মহিলাদের জন্য দুটি কক্ষে পুরুষদের জন্য তিনটি টয়লেট, দুটি প্রসাব খানা এবং একটি বেসিন মহিলাদের জন্য একটি টয়লেট ও একটি বেসিন নির্মাণ কাজ শেষ করা হয়। নির্মাণের পর কুমারখালী পৌরসভাকে তত্বাবধায়নে দায়িত্ব দেওয়া হয়। চালু হওয়ার শুরু থেকেই পাবলিক টয়লেটটি অকেজো হয়ে পরে আছে। এতে করে যাত্রীদেরকে মাঝে মধ্যেই বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। নিয়মিত চলাচলককারী একাধিক যাত্রী অভিযোগ করে বলেন কুমারখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন ২০/২২ টি বাস ঢাকায় যাতায়াত করে, এছাড়া শতাধীক লোকাল বাস দৌলতদিয়া থেকে কুষ্টিয়া যাতায়াত করে। এতো দীর্ঘ যাত্রাপথ হওয়ায় যাত্রীদের দীর্ঘদিনের দাবীর প্রেক্ষিতে এখানে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হলেও পাবলিক টয়লেটটি যাত্রীদের ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পরে আছে। বাসস্ট্যান্ডের এক কাউন্টার মাষ্টার জানান কুমারখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন গড়ে ঢাকা সহ বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করে অন্তত পাঁচ থেকে ছয় হাজার যাত্রী, এতো যাত্রীর জন্য দীর্ঘদিনের দাবীর ফলে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হলেও টয়লেটটি ব্যবহার করা যায়না। এই পাবলিক টয়লেটের ব্যাপারে পৌরসভার মেয়র কাউন্সিলরকে কয়েকবার বিষয়টি জানানোর পরেও কোন কাজ হয়নি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় টয়লেটগুলোর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ময়লা অর্বজনায় ভরে আছে ভেতরে ঢোকার মতো কোন অবস্থা নেই যাত্রীরা সব ভেতরে ঢুকতে না পেরে বাইরে থেকেই ফিরে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে পৌর প্যানেল মেয়র এস. এম রফিক জানতে চাইলে তিনি জানান পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করেছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর নির্মাণের পর আমাদের কে তত্বাবধায়নের দায়িত্ব দিয়েছে আমরা বেশ কয়েকবার পরিচ্ছন্ন কর্মী নিয়োগ দিয়েছি কিন্তু নির্মাণের সময় থেকেই ত্রুটি রয়ে গেছে, সেফটি ট্যাংক নির্মাণের সময় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ছোট করে নির্মাণ করেছে, মূলত বাসস্ট্যান্ডের যে পরিমান যাত্রী টয়লেট ব্যবহার করে সে পরিমানের ধারণক্ষমতা এই ট্যাংকের নেই, এ কারণেই এক দের মাসের মধ্যে ট্যাংক ভোরে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে। আমরা খুব দ্রুত এর পাশেই নতুন করে স্লাবচাক বসিয়ে বড় পরিসরে সেফটি ট্যাংক এবং পানির ট্যাংক স্থাপন করবো আশা করছি পরবর্তীতে আর পাবলিক টয়লেট নিয়ে যাত্রীদের দূর্ভোগ পোহাতে হবেনা। দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।

Share Button
Previous ভালবাসার গান কবিতা ও গল্পকথা‘র বৈশাখী অনুষ্ঠান
Next তুরাগ বাসে ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

You might also like

০ Comments

No Comments Yet!

You can be first to comment this post!

Leave a Reply