‘দে-ছুট’ ভ্রমণ সংঘ’র রজতজয়ন্তী

‘দে-ছুট’ ভ্রমণ সংঘ’র রজতজয়ন্তী

ঢাকা ৬ মে ২০১৮ (গ্লোবটুডেবিডি): “আসুন পাহাড়, বনায়ন রক্ষা করি-ভবিষ্যৎ প্রজম্ম নিরাপদ রাখি ‘ এই স্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে গত ১ মে দেশের ঐতিহ্যবাহী ভ্রমণ সংগঠন দে-ছুট ভ্রমণ সংঘ’র ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার পাহাড়, লেকের ধারে ইউসুফ রানার প্রশান্তি পার্কে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেখতে দেখতে ২৫বছর।
সদস্যদের শুভেচ্ছা বক্তব্য পর্ব শেষে দে-ছুট ভ্রমণ সংঘ’র প্রতিষ্ঠাতা, চীফ অর্গানাইজার মো. জাভেদ হাকিম তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সংগঠনের নিবেদিত প্রাণ খন্দকার মোস্তাক, মো.জসিম উদ্দিন, মুজাহিদুল ইসলাম জয়,জহির উদ্দিন উজ্জ্বল,আরাফাত রহমান, নাজীব মোহাম্মদ,ফাহিম হোসাইন, কাইউম হোসাইন ও মমিনুল হকের প্রাতি।সভাপতির বক্তব্যে মো.জাভেদ হাকিম বলেন, সেই ১৯৯৩ সালে প্রথম পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি ভ্রমণের মধ্য দিয়ে আজকের দে-ছুট ভ্রমণ সংঘ’র পথ চলা। এই দীর্ঘ সময় ধরে সংগঠন পরিচালনা ও দেশ-বিদেশের নানান জায়গা ভ্রমণ করতে গিয়ে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় হয়েছে। তিনি বলেন, পাহাড়ে ঘুরাঘুরি দিয়ে শুরু হওয়াতে “দে-ছুট”-এর বন্ধুদের মনমানসিকতাও পাহাড়ের মতই বিশাল।তিনি নুরুদ্দিন রাজন, রনি মৃধা ও ফরিদ মাসুমকে ধন্যবাদ জানান। তিনি প্রিন্টিং ও অনলাইন পোর্টাল মিডিয়াতে “দে-ছুট” ভ্রমণ সংঘ’র পরিচিতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মেলে ধরার সুযোগ করে দেয়ার জন্য পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালের সম্পাদকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।জাভেদ হাকিম বলেন, দে-ছুট ভ্রমণ সংঘ পরিচালনা করতে গিয়ে শুরু থেকেই সেই সহযোগিতা বন্ধুদের কাছ থেকে পেয়ে আসছি এবং দিয়ে আসছি। একটি সংগঠন তখনই চূড়ান্ত সফলতা পাবে যখন সেই সংগঠনের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তির নিজ স্বার্থের চাইতে সংগঠনের স্বার্থকে গুরুত্ব দিবেন। দে-ছুটের বন্ধুরা বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমনের পাশাপাশি দুস্থদের ত্রাণ দেয়া সহ নানারকম সমাজসেবা মূলক কার্যক্রমেও অংশ নিয়ে থাকেন। পরিশেষে তিনি সংগঠনের প্রিয়মুখদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন।

Share Button
Previous পদ্মা সেতুতে প্রথম ট্রেন চলবে ঢাকা-ফরিদপুর
Next ক্লাসিকোয় মেসির আরেকটি রেকর্ড

You might also like

০ Comments

No Comments Yet!

You can be first to comment this post!

Leave a Reply