• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩০ মে, ২০১৮
সর্বশেষ আপডেট : ৩০ মে, ২০১৮

জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা, সর্বোচ্চ ২৩১০

অনলাইন ডেস্ক
[sharethis-inline-buttons]

৩০ মে ২০১৮ (গ্লোবটুডেবিডি): ১৪৩৯ হিজরি সনের সাদকাতুল ফিতর জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৭০ টাকা, সর্বোচ্চ ২৩১০টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।

সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়, ইসলামী শরীয়াহ মতে আটা, খেজুর, কিসমিস, পনির ও যব ইত্যাদি পণ্যগুলোর যেকোনো একটি দ্বারা ফিতরা দেওয়া যাবে।

দেশের সব বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনিরের বর্তমান সর্বোচ্চ বাজার মূল্য ধরে এই ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মুসলমানরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী উপরোক্ত পণ্যগুলোর যেকোনো একটি পণ্য বা এর বাজার মূল্য দ্বারা সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন।

আটা দ্বারা ফিতরা আদায় করলে অর্ধ সা’ বা ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম বা এর সর্বোচ্চ বাজার মূল্য ৭০ টাকা দিতে হবে। যব দ্বারা আদায় করলে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০  গ্রাম বা এর সর্বোচ্চ বাজার মূল্য ৫০০ টাকা।

কিসমিস দ্বারা আদায় করলে এক সা’বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর সর্বোচ্চ বাজার মূল্য ১৩২০ টাকা দিতে হবে।  আর খেজুর দ্বারা আদায় করলে এক সা’বা ৩ কেজি ৩০০  গ্রাম বা এর সর্বোচ্চ বাজার মূল্য ১৯৮০ টাকা দিতে হবে।  পনির দ্বারা আদায় করলে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর সর্বোচ্চ বাজার মূল্য ২৩১০ টাকা ফিতরা প্রদান করতে হবে।

উল্লেখ্য, উপরোক্ত পণ্যসমূহের স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য রয়েছে। এই অনুযায়ী স্থানীয় মূল্যে পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে।

সভায় ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল প্রফেসর সিরাজ উদ্দিন আহম্মদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক মো. মোজাহারুল মান্নান, প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক ড. মাওলানা মুহাম্মদ আবদুস সালাম, অনুবাদ ও সংকলন বিভাগের পরিচালক মাওলানা এ কে এম ফজলুর রহমান, পরিচালক মো. আনিসুজ্জামান শিকদার, কাদেরিয়া তৈয়্যবিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান, আহছানিয়া সুফিজম ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাইখ মুহাম্মাদ উছমান গণী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক ড. মাওলানা আবদুল জলীল, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতী মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মুহাদ্দিস মাওলানা ওয়ালীয়ূর রহমান খান, মুফাসসির ড. মাওলানা আবু ছালেহ পাটোয়ারী ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মুহিউদ্দীন কাসেম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Share Button
[sharethis-inline-buttons]

আরও পড়ুন